Posted in

সাতক্ষীরার শ্যামনগরের কালমেঘা খাল খনন উদ্বোধন

সাতক্ষীরার, শ্যামনগর থেকে বিশ্বৈজিৎ মন্ডল
সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার শ্যামনগর সদর ইউনিয়নের কালমেঘা খাল খননেনর উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ ২ এপ্রিল ২০২৪ উপজেলা মৎস্য অফিসের আয়োজনে ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সহায়তায় সাসটেইনেবল কোস্টাল এন্ড মেরিন ফিসারিজ প্রকল্পের আওতায় এ কর্মসূচি পালন হয়। এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা -৪ আসনের মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য এস,এম আতাউল হক দোলন । বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আনিছুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত উপজেলা চেয়ারম্যান সাঈদ -উজ-জামান সাঈদ, সহকারী প্রকল্প পরিচালক আব্দুল্লাল মামুন, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তুষার মজুমদার, ভুরুলিয়া ইউনিযনের চেয়ারম্যান জাফর আলম বাবু, ইউপি সদস্য মাছুদুর রহমান, বনশ্রী রানী মন্ডল, বারসিক কর্মকর্তা বিশ^জিৎ মন্ডল, উপেজেলা মেডিকেল অফিসার, কল্যানপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, সাংবাদিকসহ স্থানীয় জনসংগঠনের প্রতিনিধি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাগণ।


খাল খনন কার্যক্রমের উদ্বোধনের শুরুতে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা তুষার মজুমদারের সঞ্চালনা আলোচনা সভা অনুষ্টিত হয়। আলোচনায় প্রধান অতিথি জাতীয় সংসদ সদস্য এস,এম আতাউল হক দোলন বলেন, ‘এ খাল শুধুমাত্র লবণ পানির মাছ চাষের জন্য নয়; এটি আমাদের জলাবদ্ধতা দুরীকরণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। পাশাপশি এই খালের সাথে সংযুক্ত যে খাল ও নদী আছে তা ধারাবাহিকভাবে খননের আওতায় নিয়ে আসার চেষ্টা করা হবে। একই সাথে খালের পাশ দিয়ে যে কাচা রাস্তা সেটিও দ্রুত পিচের রাস্তা করা হবে’।
বিশেষ অতিথি জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আনিছুর রহমান বলেন যে, ‘যেহেতু উপকূলীয় এলাকা লবণাক্ততা তাই লবণাক্ততার সাথে মানিয়ে নিয়ে চলতে হবে। যেখানে যে চাষ পদ্ধতি সেখানে সেটি করা কোন কিছু জোর করে নয়। মাছ চাষ নিয়ে গবেষণা করতে হবে যে কোন এলাকায় কোন মাছ উপযুক্ত তা বের করা। আমাদের স্মার্ট বাংলাদেশের সাথে স্মার্ট ফিসারিজ হতে হবে।’


বিশেষ অতিথি ভুরুলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যাল জাফর আলম বাবু বলেন, ‘খালটি দিয়ে ভুরুলিয়া ও শ্যামনগর ইউনিয়নের পানি বের করার একমাত্র মাধ্যম। এই খাল খনন হলে আমাদের দুই ইউনিয়নের হাজার হাজার বিঘা কৃষি জমির ফসল বাঁচবে। সবকিছু মিলে আমরা অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হতে পারবো। তাই এই খাল খননের সাথে সাথে মাদার নদী ও কল্যাণপুর খালও খনন করতে হবে তা না হলে জলাবদ্ধতা সমস্যা সমাধান করা সম্ভব হবে না।’

Bangladesh Resource Center for Indigenous Knowledge, BARCIK is a non-governmental non-profit development organization. Established in 1997 by a group of development practitioners, researchers and social workers, BARCIK has been working in the fields of environment and development with utmost commitment and purpose. Registered with the NGO Affairs Bureau under the Prime Minister’s Office, Government of Bangladesh, to operate foreign funds.