Posted in

সার্বিকভাবে আমাদের ভালো থাকতে হবে

সাতক্ষীরার, শ্যামনগর থেকে বরসা গাইন ও বিশ্বজিৎ মন্ডল
গতকাল ১০ অক্টোবর বিশ^ মানসিক স্বাস্থ্য দিবসের প্রতিপাদ্য “মানসিক স্বাস্থ্য সার্বজনীন মানবাধিকার” শ্লোগানকে সামনে রেখে কালমেঘা কৃষি নারী সংগঠনের উদ্যোগে এবং বারসিক’র সহায়তায় দিবস উপলক্ষে জলবায়ু পরিবর্তনে বয়োঃসন্ধিকালীন সমস্যা সমাধানে করণীয় বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কালমেঘা কৃষি নারী সংগঠনের সভানেত্রী বনশ্রী রানী মন্ডলের সভাপতিত্বে ও বারসিক কর্মকর্তা বরসা গাইনের সঞ্চালনায় এ দিবস উপলক্ষে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন, বারসিকের ভারপ্রাপ্ত আঞ্চলিক সমন্বয়কারী রামকৃষ্ণ জোয়ারদার, বিশ^জিৎ মন্ডল, আল ইমরান, প্রতিমা রানী, বিধান মধু, জনসংগঠন সমন্বয় কমিটির সভাপতি শেখ সিরাজুল ইসলাম, শিক্ষক গোবিন্দ মন্ডল, কৃষক পরিতোষ মন্ডল, শিক্ষার্থী, ফাল্গুনি, ইন্দ্রা রানী, প্রতিভা রানী, অনুপ কুমার, কৃষাণী অনিমা রানী, কল্পনা রানী সহ আরো অনেকে। আলোচনায় বক্তারা দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে খাদ্যের বিভিন্ন গুণাবলী এবং কিভাবে এসব খাদ্যে ভেজাল হচ্ছে আর কিভাবে মানসিক সমস্যা সম্মুখিন হচ্ছে সেসব দিক তুলে ধরেন।

সভায় অংশগ্রহনকারীরা জানান, ‘এখন আমরা শুধু বেঁচে থাকার জন্য খাবার খাই। এ খাবারে নেই কোন স্বাদ। এখন প্রত্যেক ঘরে ঘরে শুধু রোগের বাসা। আমরা খাদ্যের গুনাগুণকে গুরুত্ব না দিয়ে বেশি বেশি খাদ্য উৎপাদন করার কাজে ব্যস্ত, আর বেশি এ খাদ্য উৎপাদন করতে গিয়ে আমার মৃত্যুর দিকে ঝুঁকে পড়ছি।’

তারা জানান, ‘বর্তমান সময়ে প্রবীণ ব্যক্তিদের পাশাপাশি কম বয়সী ছেলেমেয়েরা মানসিক সমস্যাগ্রস্ত হয়ে পড়ছে। মানসিক অসুস্থতার কারণে সমাজে এখন অস্থিরতা বাড়ছে। এ থেকে বাড়ছে আত্মহত্যার প্রবণতা। অনেকেই আবার জড়িয়ে পড়ছে অপরাধমূলক কর্মকান্ডের সাথে।’ তারা আরো জানান, প্রতিনিয়ত জলবায়ু পরিবর্তন হচ্ছে। যার কারণে এলাকায় লবণ পানির মাত্রা বেড়ে যাচ্ছে। এলাকা থেকে প্রাণবৈচিত্র্য কমতে শুরু করেছে। এলাকাতে দেখা দিচ্ছে পুষ্টির ঘাটতি। এছাড়াও নারীদের মধ্যে দেখা দিচ্ছে নানান ধরনের রোগব্যাধি।

অংশগ্রহণকারী নারীরা জানান, ‘বর্তমান সময়ে বিশেষ করে বয়োঃসন্ধিকালীন অনেক বিষয় না জানার কারণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে জীবনযাপন করতে পারে না। ফলস্বরুপ জরায়ুজনিত অনেক ব্যাধিতে আক্রান্ত হতে হচ্ছে।’ তারা বলেন, ‘আমাদের পুষ্টিকর খাবারের পাশাপাশি ভেজালমুক্ত খাবারের দরকার। আসুন আজ থেকে আমরা অঙ্গীকার করি যে, আমরা ভেজালমুক্ত খাবার উৎপাদন করবো, নিজে বাঁচবো এবং অন্যদের বাঁচাবো।’

Bangladesh Resource Center for Indigenous Knowledge, BARCIK is a non-governmental non-profit development organization. Established in 1997 by a group of development practitioners, researchers and social workers, BARCIK has been working in the fields of environment and development with utmost commitment and purpose. Registered with the NGO Affairs Bureau under the Prime Minister’s Office, Government of Bangladesh, to operate foreign funds.